অফিসিয়াল নিউজ ও প্রেস রিলিজ — ctgpressclub.bd

এসময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাজ্জাদ বাহিনী, লালটু বাহিনী, পল্টু বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী রয়েছে। তারা ভাড়ায় খাটে এবং খুন করে। আমি বলতে চাই পুলিশ বাহিনী ছাড়া এই নগরে অন্য কোনো বাহিনী থাকতে পারবে না। এসব বাহিনী নির্মূল করতে হবে। নির্মূল মানে নির্মূল। প্রয়োজনে চরম পন্থা অবলম্বন করতেও আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করব না।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ বলেছেন, যেকোনো মূল্যে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নির্বাচনের আগেই নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। প্রয়োজন হলে সন্ত্রাসীদের নির্মূলে ‘চরম পন্থা’ অবলম্বন করতেও পুলিশ পিছপা হবে না। সংবাদদেখুন
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্ণফুলী হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাজ্জাদ বাহিনী, লালটু বাহিনী, পল্টু বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী রয়েছে। তারা ভাড়ায় খাটে এবং খুন করে। আমি বলতে চাই পুলিশ বাহিনী ছাড়া এই নগরে অন্য কোনো বাহিনী থাকতে পারবে না। এসব বাহিনী নির্মূল করতে হবে। নির্মূল মানে নির্মূল। প্রয়োজনে চরম পন্থা অবলম্বন করতেও আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করব না।
তিনি আরো বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি ‘ভীতি সঞ্চার’ করার পরিকল্পনা চলছে। বিতাড়িত ফ্যাসিস্টরা এখন ভীতি তৈরি করার কাজ চালাচ্ছে। তারা ভোটের দিন ভোটার যতো কম রাখা যায় সেটা চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেব না। মানুষ যেন উৎসবমুখর-ভাবে ভোট দিতে পারে সেজন্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা কাজ করছি। তিনি আরো বলেন, বিতাড়িত স্বৈরাচার এবং তাদের বিদেশি প্রভুরা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। নির্বাচনটি তাদের জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’। তারা যেন এই টেস্টে ফেইল করে, সেজন্য আমাদের যা করার করতে হবে।
পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে সিএমপি কমিশনার জানান, লুণ্ঠিত অস্ত্রের ৮০ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ অস্ত্র পাহাড়ি এলাকার বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের হাতে চলে গেছে বলে তথ্য রয়েছে। তবে নির্বাচনের আগে এসব উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে। এসব অস্ত্রের নিরাপত্তা হুমকি আমরা মোটেও উড়িয়ে দিচ্ছি না।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সংখ্যালঘু ভোটার ও অপরাধ প্রবণ এলাকার কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। সেখানে আমরা বাড়তি নিরাপত্তা দেব। আমাদের সব টীম বর্তমানে মাঠে কাজ করছে। ব্যারাকে থাকার কোন টীম বর্তমানে রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকের মধ্যে ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব থাকতে পারে, কিন্তু পেশাগত ক্ষেত্রে একটি ‘দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক’ থাকাই রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক। বিগত সরকারের সমালোচনা করে হাসিব আজিজ বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গগুলো যদি একটি অ্যালাইনমেন্টে চলে আসে, তবে রাষ্ট্রব্যবস্থায় বিপর্যয় ঘটে। গত ১৭ বছরে আমরা দেখেছি প্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ ও সাংবাদিক—সবাই এক অ্যালাইনমেন্টে চলে এসেছিল। ফলে দেশে একটি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল।
পুলিশ সদস্যদের তিনি বলেন, আমি আমার সহকর্মীদের বলি—ইউ মাস্ট বি ফার্ম ইন ইউর অ্যাটিটিউড, বাট ভেরি পোলাইট ইন ইউর বিহেভিয়ার। পুলিশিং উইথ আ স্মাইলিং ফেস। একজন সাংবাদিক বা সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা যাবে না। সাফল্য-ব্যর্থতা বড় কথা নয়। জনগণের মধ্যে নিরাপত্তার বোধ তৈরি করা এবং অপরাধভীতি দূর করাই একজন পুলিশ অফিসারের সাফল্যের মাপকাঠি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সভায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
জামালখান সড়ক, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ • ইমেইল: info@ctgpressclub.bd
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যাবতীয় সংবাদ, বিজ্ঞপ্তি ও ছবিসমূহের সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই বা অনুসন্ধানে আমাদের সচিবালয়ে যোগাযোগের অনুরোধ করা যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আরও সমসাময়িক প্রতিবেদন ও খবর
ক্লাবের খবরএ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সকল সদস্য ও তাদের নির্ভরশীল সদস্যরা এপিক হেলথ কেয়ারের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।
ক্লাবের খবরউন্নত ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেড ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের মধ্যে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় প্রেস ক্লাবের সদস্য, তাদের নির্ভরশীল সদস্য এবং কর্মকর্তা–কর্মচারীরা হাসপাতালের বিশেষায়িত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ সুবিধায় গ্রহণ করতে পারবেন।
ক্লাবের খবরভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণ। এই গণঅভ্যুত্থানের দাবিদার কিন্তু আমি, আপনি বা মঞ্চে দাঁড়ানো কেউ না। এই যেদিন মনে করেছে তারা—আর এ নির্যাতন নয়, আর এ দুঃশাসন নয়, আর এ স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে থাকা নয়, আর নয় কোনো পার্শ্ববর্তী দেশের তাবেদারি করা; সেদিনই জুলাই অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ফলাফল এসেছে। এই জিনিসটা আমাদের অনুধাবন করতে হবে এজন্য, কারণ জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যারা আহত হয়েছেন—একই সাথে বিগত ১৭ বছরে এই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে, বাংলাদেশীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যত লক্ষ লক্ষ লোক নির্যাতন, হামলা-মামলা, গুম, খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি চরম অবিচার করা হবে; বাংলাদেশের প্রতি চরম অবিচার করা হবে যদি আমরা এটা অস্বীকার করি।

৩ মাস আগে
সাংবাদিক সম্মেলন, মতবিনিময় সভা ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের জন্য প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জ ও অডিটোরিয়াম বুকিং করুন।
হল ও ফি তালিকা দেখুন